একর্ড রেমিডিয়েশন ফান্ডের মাধ্যমে পাঁচটি তৈরি পোশাক কারখানাকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে

একর্ড ইনঅ্যাক্টিভ ফ্যাক্টরি রেমিডিয়েশন ফান্ড থেকে প্রাপ্ত আর্থিক সহায়তার মাধ্যমে বাংলাদেশের পাঁচটি তৈরি পোশাক কারখানায় নিরাপত্তামূলক সংস্কার কাজ সম্পন্ন হবে।
 
১৫ই মে ২০১৮

একর্ড ইনঅ্যাক্টিভ ফ্যাক্টরি রেমিডিয়েশন ফান্ড থেকে সংস্কার কাজের জন্য আর্থিক সহায়তা দিতে আজ একর্ডের আওতাভুক্ত আরও দুইটি কারখানার আবেদন অনুমোদন করলো বাংলাদেশে অগ্নি ও ভবন নিরাপত্তায় একর্ড, এতে সহায়তাপ্রাপ্ত কারখানার সংখ্যা দাঁড়ালো পাঁচটিতে।

একর্ডের আওতাভুক্ত তৈরি পোশাক কারখানাগুলোর মধ্যে যাদের ক্রেতা হিসেবে কোন একর্ড স্বাক্ষরকারী কোম্পানি আর কাজ করছেনা, তাদের জন্য ফেব্রুয়ারি ২০১৭ তে একর্ড ফ্যাক্টরি রেমিডিয়েশন ফান্ড চালু করা হয়। একর্ড স্বাক্ষরকারী কোম্পানিসমূহের সাথে ব্যবসা অব্যাহত আছে এমন কারখানাগুলোর থেকে এসব কারখানার সংস্কার কাজ ধীরগতিতে অগ্রসর হচ্ছে।

আর্থিক সহায়তাপ্রাপ্ত কারখানাগুলো হলো হাইপয়েড লঞ্জারি লিমিটেড, রিট্‌জি অ্যাপারেলস, এভারব্রাইট সোয়েটার লিমিটেড, আয়েশা এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড এবং মিক নিট লিমিটেড। এই পর্যন্ত প্রদত্ত সহায়তার পরিমাণ মোট ৪ কোটি টাকারও বেশি ($ ৫১৪,০০০)।

এসকল কারখানার অবশিষ্ট সংস্কার কাজের ক্ষেত্রে একর্ড আর্থিক সহায়তা প্রদান করবে এবং চারটি কিস্তিতে এই তহবিলটি বিতরণ করবে: প্রথমটি আর্থিক সহায়তামূলক চুক্তিতে স্বাক্ষর করার সময় প্রদান করা হয়েছে এবং অবশিষ্ট তিনটি কিস্তি পূর্বের দেয়া কিস্তি ও একর্ড যাচাইকৃত সংস্কার কাজের অগ্রগতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে দেয়া হবে।

সহায়তার জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হওয়ার জন্য, যেসকল কারখানা অনুদানের জন্য আবেদন করেছিল তাদের অবশ্যই দেখাতে হবে যে তারা নিরাপত্তা সংস্কারের জন্য যথাযথ চেষ্টা করেছে। সকল জরুরী নিরাপত্তা বিষয়গুলো (যেমন: বহির্গমন দরজা/ গেট থেকে তালার ব্যবস্থা সরিয়ে ফেলা, কলামের স্ট্রেস কমানোর জন্য লোড ব্যবস্থাপনা), স্বল্প খরচের মেইন্টেনেন্স এর সংস্কার কাজগুলো অবশ্যই সমাপ্ত করতে হবে।

 
এভারব্রাইট সোয়েটার লিমিটেড এর চেয়ারম্যান তৌফিক কাদির বলেন:
“এভারব্রাইট সোয়েটার লিমিটেড ২০১৭ এর ডিসেম্বরে একর্ডের সঙ্গে সংস্কার কাজের আর্থিক সহায়তামূলক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। দুই মাস পরে আমরা রেট্রোফিটিং এবং ফায়ার হাইড্রেন্ট সিস্টেম স্থাপনের অবশিষ্ট কাজ সম্পন্ন করেছি।”

আয়েশা এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড কারখানার ডিরেক্টর নাজমুস সাকিব খান বলেন:
“যখন আমরা একর্ড ইনঅ্যাক্টিভ ফ্যাক্টরি রেমিডিয়েশন ফান্ডের জন্য আবেদন করি, সেই সময়ে আয়েশা এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড নিরাপত্তা বিষয়ক সংস্কার কাজের ৮৬% সম্পন্ন করেছিল। প্রথম কিস্তির টাকা পাওয়ার পরে, আমরা ইঞ্জিনিয়ারিং এসেস্‌মেন্টে চিহ্নিত প্রয়োজনীয় বেশিরভাগ কাজ (যেমন: স্থায়ী আরসিসি পানির ট্যাঙ্ক বসানো, হালকা ওজনের ওয়াল পার্টিশন প্যানেল স্থাপন করা) সম্পন্ন করেছি এবং ফায়ার স্ট্যান্ডপাইপ সিস্টেম কেনার প্রক্রিয়া শুরু করেছি।”

মিক নিট লিমিটেড কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারুক খান বলেন:
“একর্ড ইনঅ্যাক্টিভ ফ্যাক্টরি রেমিডিয়েশন ফান্ডের মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা পাওয়ার পর, আমরা ফায়ার ডিটেকশন এবং হাইড্রেন্ট সিস্টেম আমদানি করার জন্য আমদানি ঋণপত্র খুলতে সক্ষম হই। এখন আমরা এগুলো স্থাপনের কাজ শুরু করতে পারব।”
 
একর্ড এই কারখানাগুলোর ফান্ডের ব্যয় পর্যবেক্ষণ করবে এবং সংস্কার কাজ সম্পন্ন হলে তার ওয়েবসাইটে নাম প্রকাশের মাধ্যমে সংস্কার সম্পন্ন কারখানাগুলোকে স্বীকৃতি দিবে।

একর্ড ডেপুটি ডিরেক্টর ফর ইমপ্লিমেন্টেশন ইয়োরিস ওল্ডেনজিয়েল বলেন:
“ইনঅ্যাক্টিভ ফ্যাক্টরিজ রিমিডিয়েশন ফান্ডের মাধ্যমে একর্ড এর দেওয়া অর্থ সহায়তাপ্রাপ্ত কারখানাসমূহকে আর ফেরত দিতে হবে না। আর্থিক সহায়তার অর্থ শুধুমাত্র নিরাপত্তা সংস্কারের কাজে ব্যয় হচ্ছে তা নিশ্চিত করার জন্য একর্ড নিবিড়ভাবে নজরদারি করবে।”

একর্ড স্বাক্ষরকারী কোম্পানির সাথে ছয় মাসের বেশি সময়ের জন্য ব্যবসা নেই এমন একর্ড আওতাভুক্ত কারখানাসমূহকে সংস্কার কাজ সম্পন্ন করার জন্য আর্থিক সহায়তা পেতে আবেদন করার জন্য উত্সাহিত করা হচ্ছে। একর্ড বর্তমানে ইনঅ্যাক্টিভ কারখানাগুলো থেকে পাওয়া আরও পাঁচটি আবেদন পর্যালোচনা করছে।
 

এই সংবাদ বিজ্ঞপ্তির সাথে এক সেট চিত্র দেয়া আছে।

সংবাদ বিবৃতিটির পিডিএফ ফরম্যাট এখানে ডাউনলোড করুন।

বিস্তারিত তথ্যের জন্য অনুগ্রহ করে যোগাযোগ করুন:
media@bangladeshaccord.com

ইয়্যোরিস ওল্ডেনজিল, ডেপুটি ডিরেক্টর ফর ইমপ্লিমেন্টেশন
joris.oldenziel@bangladeshaccord.com
অফিস আমস্টারডাম: + ৩১ (০) ২০ ৫২০ ৭৪৩১
মোবাইল: + ৩১ ৬১৪৯৫৪৪৩০

বাংলাদেশে অগ্নি ও ভবন নিরাপত্তায় একর্ড এর স্টিয়ারিং কমিটি নিম্নলিখিত বিবৃতিটি প্রদান করেছে

পাঁচ বছর আগে ১৫ মে ২০১৩ তে, আন্তর্জাতিক পোশাক ব্র্যান্ড ও খুচরা বিক্রেতাগণের একটি দল এবং দুইটি আন্তর্জাতিক ট্রেড ইউনিয়ন এবং তাদের সাথে সম্পৃক্ত জাতীয় ট্রেড ইউনিয়নসমূহ বাংলাদেশের পোশাক কারখানাগুলো নিরাপদ করার জন্য একটি অভূতপূর্ব চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। তারপর থেকে ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া এবং এশিয়ার ২২০ টি ব্র্যান্ড, খুচরা বিক্রেতা, আমদানীকারক এবং এজেন্ট একর্ডে স্বাক্ষর করেন। একর্ডে স্বাক্ষরের মাধ্যমে এই ২২০ টি ব্র্যান্ড এবং খুচরা বিক্রেতাসমূহ বাংলাদেশের সাথে তাদের দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসায়িক সম্পর্ক বজায় রাখার এবং বাংলাদেশে একটি নিরাপদ ও টেকসই তৈরী পোশাক শিল্পের (আরএমজি) জন্য অবদান রাখার অঙ্গীকার প্রদর্শন করে।

একর্ড স্বীকার করে যে, গত পাঁচ বছরে বাংলাদেশের আরএমজি শিল্পে অগ্নি ও ভবন নিরাপত্তা উন্নয়নে অসাধারণ অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। একর্ডের আওতাভুক্ত ১৬২০ টি কারখানায় সংস্কারের সামগ্রিক অগ্রগতির হার ৮৫%। ২৪ লক্ষ শ্রমিকের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে ১০০০ এরও বেশি কারখানায় একর্ড গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা তথ্য প্রদান করেছে। এই সকল প্রচেষ্টার ফলে বর্তমানে লক্ষ লক্ষ শ্রমিক নিরাপদ কারখানায় কাজ করছে। এছাড়াও বাংলাদেশের পোশাক কারখানাসমূহ বাস্তবিকরূপে উপকৃত হয়েছে, কারণ ক্রেতারা উপলব্ধি করেন যে নিরাপত্তা কাজ সম্পন্ন করেছে এমন কারখানাগুলো তাদের জন্য অনেক কম ঝুঁকি বহন করে।

কারখানার মালিকরাসহ অনেকেই, যারা প্রয়োজনীয় নিরাপত্তামূলক সংস্কার কাজে একর্ডকে সহযোগিতা করেছেন তারা এই প্রচেষ্টার কৃতিত্বের অংশীদার। লেবার-কর্পোরেট পার্টনারশিপ যা চুক্তিটির মুল বিষয়, নিরাপত্তা বিষয়ক সংস্কারগুলো সম্পন্ন করতে কারখানা মালিকেরা যেন আর্থিকভাবে সক্ষম হয় তা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে একর্ডের উপলব্ধি এবং চুক্তিটি বাধ্যতামূলক- এই অনন্য বৈশিষ্ট্যসমূহই একর্ডের সাফল্যের মূলমন্ত্র। কারখানা কর্তৃপক্ষ, শ্রমিক এবং তাদের ট্রেড ইউনিয়ন, আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড এবং আন্তর্জাতিক ইউনিয়নগুলির জন্য একর্ড একটি অসাধারণ সুযোগ হিসেবে কাজ করছে, যার মাধ্যমে তাদের কর্মীদের একত্রিত করে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পকে জর্জরিত করে তোলা ভবনের গঠনগত সমস্যা এবং অগ্নি নিরাপত্তা ক্ষেত্রের ঘাটতিগুলো সমাধান করা সম্ভব হবে।

একই সাথে, আমরা স্বীকার করি যে, সংস্কার কাজ এখনও শেষ হয়নি। পূর্ণ সংস্কার সম্পন্ন হতে এবং কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা একটি গ্রহণযোগ্য পর্যায়ে পৌঁছাতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। এখনও শতশত কারখানায় জীবনের জন্য হুমকিস্বরূপ নিরাপত্তা ঝুঁকি যেমন অপর্যাপ্ত ফায়ার এক্সিট, ফায়ার এলার্ম এবং ফায়ার প্রটেকশন সিস্টেম বিদ্যমান রয়েছে, এবং এখন পর্যন্ত সংস্কারের হার ৮৫%।

অগ্নি ও ভবন নিরাপত্তার অর্থ শুধুমাত্র কারখানাকে নিরাপদ করে তোলার জন্য পরিচালিত সংস্কার কাজ-ই নয়, বরং কারখানার নিরাপত্তা বজায় রাখতে একটি চলমান সতর্কতা প্রক্রিয়া। এই সতর্কতা বজায় রাখতে কঠোর এবং নিয়মিতভাবে কারখানা পরিদর্শন করা আবশ্যক। আজ পর্যন্ত এই কাজের দায়িত্ব বুঝে নেয়ার মত পূর্ণ সামর্থ্যসম্পন্ন কোন জাতীয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা গড়ে উঠেনি। তাই, এই অপরিহার্য নিরাপত্তা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে একর্ডের স্বাক্ষরকারীগণ ২০১৮ অন্তর্বর্তীকালীন একর্ড স্বাক্ষর করার সিদ্ধান্ত নেন।

এ সপ্তাহে, বাংলাদেশ সরকার মে ২০১৮ এর পর একর্ড কার্যক্রমের মেয়াদ বাড়ানোর অনুমোদন দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সম্পূর্ণরূপে কার্যক্ষম এবং উপযুক্ত একটি জাতীয় নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে একর্ডের কার্যক্রম হস্তান্তরের জন্য অনুমোদিত শর্তসমূহ পূরণ হচ্ছে কিনা তা নির্ধারণ করার জন্য সরকার একটি যৌথ “ট্রানজিশন মনিটরিং কমিটি” (টিএমসি) প্রতিষ্ঠা করেছে।

একর্ড ব্র্যান্ডসমূহ, আন্তর্জাতিক ট্রেড ইউনিয়নসমূহ, বিজিএমইএ, আইএলও এবং বাংলাদেশ সরকারের সমন্বয়ে গঠিত টিএমসি গত ০৬ মে, ২০১৮ তারিখে বৈঠক করেন এবং নির্ধারণ করেন যে, একর্ড এবং বিজিএমইএ-র সম্মতিতে গৃহীত এবং বাংলাদেশ সরকার দ্বারা অনুমোদিত শর্তসমূহ এখনও পূরণ হয়নি।

এই শর্তসমূহের মধ্যে রয়েছে: পরিদর্শন এর জন্য দক্ষতা প্রদর্শন করা, ঝুঁকি সংস্কার, নন-কমপ্লায়েন্ট কারখানার বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগ, পরিচালনা এবং সংস্কারের অগ্রগতির ব্যাপারে পূর্ণ স্বচ্ছতা, এবং শ্রমিকদের নিরাপত্তা বিষয়ক অভিযোগের তদন্ত এবং ন্যায্য সমাধান দেয়া।

একর্ড আনন্দিত যে, ১লা জুন- এ ২০১৮ অন্তর্বর্তীকালীন একর্ড এর সূচনা এবং এই শর্তসমূহ পূরণ না হওয়া পর্যন্ত একর্ড অব্যাহত থাকার বিষয়টি বিজিএমইএ সমর্থন করে।

 

বিস্তারিত তথ্যের জন্য অনুগ্রহ করে যোগাযোগ করুন:

ইয়্যোরিস ওল্ডেনজিয়েল
ডেপুটি ডিরেক্টর ফর ইমপ্লিমেন্টেশন
joris.oldenziel@bangladeshaccord.com
+ ৩১ ৬১৪৯৫৪৪৩০

মাইকেল ব্রাইড
ডেপুটি ডিরেক্টর ফর ওয়ার্ক প্লেস প্রোগ্রাম্‌স এন্ড বাংলাদেশ স্টেকহোল্ডার এন্‌গেজমেন্ট

michael.bride@bangladeshaccord.com 

+৮৮০ ১৭০ ৯৬৪ ১০৬০/ + ১ ২০২ ৫৩১ ৫৬৬৯

www.bangladeshaccord.org
media@bangladeshaccord.com

মে ২০১৮ এর পর একর্ড অব্যাহত থাকা প্রসঙ্গে বিবৃতি

বাংলাদেশ একর্ডের নিরাপত্তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে

মে ২০১৮ এর পর একর্ড কার্যক্রমের মেয়াদ বাড়ানোর অনুমোদন দিয়েছে সরকার

স্থানীয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা যখন কারখানা পরিদর্শন, সংস্কার কাজে বাধ্য করা, এবং শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে তাদের পূর্ণ সামর্থ্য প্রদর্শন করবে, তখন একর্ড বাংলাদেশ ছেড়ে চলে যাবে

 

বাংলাদেশ সরকার সম্মত হয়েছে যে, যতদিন পর্যন্ত স্থানীয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা যথাযথভাবে প্রস্তুতির নির্ধারিত শর্তাবলী পূরণ করতে না পারবে ততদিন পর্যন্ত বাংলাদেশে অগ্নি ও ভবন নিরাপত্তায় একর্ড (দ্য একর্ড) কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।

একর্ডের স্বাক্ষরকারী ব্র্যান্ড এবং ট্রেড ইউনিয়ন, বিজিএমইএ, আইএলও, বাণিজ্য ও শ্রম মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীগণ গত ১৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত সভায় এই সম্মতিতে পৌঁছান। যেহেতু সকল পক্ষ উপলব্ধি করে যে, একর্ড স্বাক্ষরকারী ব্র্যান্ডসমূহের জন্য উৎপাদনকারী কারখানার শ্রমিকদের নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্ব জাতীয় নিয়ন্ত্রক সংস্থার হাতে দায়িত্বপূর্ণভাবে হস্তান্তর করার পূর্বে যথেষ্ট পরিমাণে সক্ষমতা অর্জন করা প্রয়োজন, সেহেতু মে ২০১৮ এর পর কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে প্রস্তুত একর্ড।
আরও পড়ুন

বাংলাদেশে অগ্নি ও ভবন নিরাপত্তায় একর্ড এর দ্বিতীয় মেয়াদে কোম্পানি এবং ট্রেড ইউনিয়নসমূহের ঐক্যমত

আমস্টারডাম/ ঢাকা, ২৯ জুন ২০১৭। কোম্পানি এবং ট্রেড ইউনিয়নসমূহ ২য় মেয়াদে বাংলাদেশে অগ্নি ও ভবন নিরাপত্তায় একর্ড (“একর্ড”) এর জন্য ঐক্যমত পোষণ করেছে। আগামী মে ২০১৮ তে বর্তমান একর্ডের মেয়াদ শেষ হলে এই চুক্তিটি কার্যকর হবে। বাংলাদেশের কারখানাগুলোকে নিরাপদ করে তুলতে কোম্পানি ও ট্রেড ইউনিয়নগুলোর মধ্যে অভূতপূর্ব, আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক চুক্তি একর্ড।
আরও পড়ুন

রানা প্লাজা এবং ঢাকায় স্টিয়ারিং কমিটির অবস্থান প্রসঙ্গে একর্ডের বিবৃতি

২৩ এপ্রিল ২০১৬

২৪শে এপ্রিল, ২০১৬ তারিখে তিন বছর পূর্ণ হবে মর্মান্তিক রানা প্লাজা ধ্বসের যা কেড়ে নিয়েছিল ১১০০’রও বেশী জীবন এবং আহত হয়েছিল আরও শত শত মানুষ। একর্ডের স্মরণে এবং প্রার্থনায় রয়েছে সেই নিহত ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ এবং তাদের প্রিয়জনেরা।

আরও পড়ুন

বাংলাদেশে তৈরী পোশাক কারখানায় নিরাপত্তা উন্নয়নের লক্ষ্যে ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার লোন প্রদানের জন্য ইন্টারন্যাশনাল ফাইনান্স কর্পোরেশন (আইএফসি) এর সাথে একর্ডের সহযোগিতামূলক চুক্তি

বাংলাদেশে অগ্নি ও ভবন নিরাপত্তায় একর্ড ১৫০০ টির বেশি পোশাক কারখানার সাথে সম্পৃক্ত ২০০ এর বেশি আন্তর্জাতিক পোশাক ব্র্যান্ড ও রিটেইলা এবং ২ টি গ্লোবাল ইউনিয়ন ও তাদের সাথে জাতীয় পর্যায়ে তৈরী পোশাক শিল্পের সংশ্লিষ্ট সহযোগীদের নিয়ে স্বাক্ষরিত একটি অভূতপূর্ব ও আইনত বাধ্যতামূলক চুক্তি। এই কারখানাগুলোর সবগুলোতে অগ্নি, বৈদ্যুতিক এবং কাঠামোগত নিরাপত্তা পরিদর্শন সম্পন্ন হয়েছে। সংশোধনী কর্ম পরিকল্পনা (ক্যাপস) তৈরী করা হয়েছে যেখানে কিভাবে এবং কতদিনের মধ্যে চিহ্নিত নিরাপত্তা সমস্যাগুলোর সমাধান করতে হবে সে বিষয়ে নির্দেশনা রয়েছে। পরিদর্শিত কারখানাগুলোতে নিরাপত্তা সমস্যার সমাধান করা একটি ব্যাপক কর্মকান্ড এবং এর জন্য উল্লেখযোগ্য পরিমানে রিসোর্সের প্রয়োজন।
আরও পড়ুন

বিবৃতি- বাংলাদেশে অগ্নি ও ভবন নিরাপত্তায় একর্ড

২৫ জুন ২০১৫- বাংলাদেশে একর্ড স্টিয়ারিং কমিটির সভায় তৈরী পোশাক কারখানাগুলো নিরাপদ করে গড়ে তুলতে সংশোধনী কাজ তরান্বিত করা এবং সুদৃঢ়ভাবে কাজ করার বিষয়ে আলোচনা।

একর্ড এর স্টিয়ারিং কমিটি ঢাকায় গত ২২ থেকে ২৪ জুন স্বাক্ষরকারী প্রতিনিধিগন এবং বাংলাদেশী মূল সংগঠকদের সাথে অগ্রগতি নিয়ে এবং এক্ষেত্রে আরও এগিয়ে যাওয়ার উপায় নিয়ে আলোচনায় মিলিত হন। একর্ড এর চুক্তি বাস্তবায়ন এবং পোশাক কারখানাগুলো নিরাপদ রাখতে কোম্পানি এবং স্বাক্ষরকারী ট্রেড ইউনিয়ন, তৈরী পোশাক কারখানাসমূহ, এবং অন্যান্য মূল সংগঠকদের সাথে কাজ করার বিষয়টি স্টিয়ারিং কমিটি পুণরায় নিশ্চিত করেছে।

আরও পড়ুন

সর্বপ্রথম সকল নিরাপত্তামূলক সংশোধনী কাজ সম্পন্নকারী কারখানাসমূহের নাম ঘোষনা করেছে একর্ড ২৩ মে ২০১৫

২০ মে, ২০১৫, একর্ডের ইঞ্জিনিয়ারগন যাচাই করে পেয়েছেন বাংলাদেশে একর্ডের তালিকাভুক্ত দুইটি কারখানায় প্রাথমিক পরিদর্শনে চিহ্নিত সকল নিরাপত্তা সমস্যার সংশোধনী কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এই মাইলফলক অর্জনকারী প্রথম কারখানা ২ টি হলো: Concord Fashion Export Ltd. / Jeacon

আরও পড়ুন

কারখানা পরিদর্শনে পাওয়া গুরুত্বপূর্ণ তদন্তের ফলাফলের উপর অ্যাকর্ডের বিবৃতি যার দরুণ কাজ মুলতুবি রাখতে হয় এবং কারখানা ভবনগুলি খালি করতে হয়

অ্যাকর্ড অন ফায়ার অ্যান্ড বিল্ডিং সেফটি ইন বাংলাদেশ (অ্যাকর্ড) 160টির বেশি বিশ্বব্যাপী ব্র্যান্ড ও রিটেলার এবং বিশ্বব্যাপী ও জাতীয় RMG শিল্পের ইউনিয়ন সংঘগুলির মধ্যে একটি বাধ্যতামূলক দায়বদ্ধতা আনে পরিহার্য বিপর্যায় নিবারণ করার জন্য যেমন রানা প্লাজা ভবন ধসে পড়া এবং তাজরিন ফ্যাশন্স লিঃ–এর কারখানায় আগুন লাগার মত ঘটনা আর কখনও বাংলাদেশের RMG কারখানাগুলিতে না ঘটে।

যে কারখানাগুলি অ্যাকর্ডের জন্য উত্পাদন করে সেগুলির পরিদর্শন করা হয় অগ্নি, বৈদ্যুতিক এবং ভবনের কাঠামোগত নিরাপত্তার ঝুঁকি চিহ্নিত করার জন্য যা অ্যাকর্ডের শর্তগুলির একটি অখন্ডিত উপাদান। প্রত্যাশা অনুযায়ী অ্যাকর্ডের পরিদর্শনগুলি এই তিনটি ক্ষেত্রেই নিরাপত্তার ঝুঁকি চিহ্নিত করছে।

অনেকগুলি অনুসন্ধানের ফলাফল, যেমন ওজন কমানো এবং ওজন ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনাগুলি মেনে চলা অনায়াসে সংশোধন করা যেতে পারে এবং তারজন্য খুব বেশি খরচ হয় না। অন্য ফলাফলগুলি হল পরিষ্কার করা, বন্দোবস্ত করা সংক্রান্ত, এবং তারপরে সেগুলি রক্ষণাবেক্ষণের প্রথায় রাখা। এগুলির মধ্যে আছে যথাযথভাবে বৈদ্যুতিক তার জোড়া এবং সিল করা এবং তার ও সার্কিটগুলি ধুলো ও ঝুলমুক্ত রাখা। অন্য অনুসন্ধান এবং নিরাপত্তার প্রয়োজনগুলির জন্য যথেষ্ট ব্যয় করতে হবে। যেমন: ফায়ার ডোর বসানো, স্বয়ংক্রিয় ধোঁয়া শনাক্তকারী এবং আগুনের অ্যালার্ম ব্যবস্থা, এবং কারখানার ভবনগুলি থেকে অগ্নি সুরক্ষিত বহির্গমন স্থাপন করা।

আরও পড়ুন

রানা প্লাজা ভবন ধসে পড়ার পর প্রথম বার্ষিকীর উপর বিবৃতি

রানা প্লাজার ভুক্তভোগীদের স্মরণ করুন। 24 এপ্রিল 2014 তারিখে রানা প্লাজা ভবন ধসে পড়ার প্রথম বার্ষিকী হবে। এই মর্মান্তিক ঘটনার দরুণ ভুক্তভোগীদের পরিবারের, আহতদের এবং গোটা দেশের যে ক্ষতি, যাতনা এবং শোক হয়েছে, সেই কারণে আমাদের সমবেদনা হয় বাংলাদেশের সব মানুষের জন্য। আমরা 1134 জন মৃত ব্যক্তি, 2000-এর বেশি আহত মানুষ এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের স্মরণ করি, যাদের এই ক্ষতির স্মৃতি সামলাতে হয় এবং প্রতিদিন এই মর্মান্তিক ঘটনার প্রভাব অনুভব করতে হয়।

15 মে 2013 তারিখে বাংলাদেশ অ্যাকর্ড উদ্বোধন করার পর, নিরাপদ বাংলাদেশী গারমেন্ট শিল্পের দিশায় আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড, ট্রেড ইউনিয়ন এবং শ্রমিক সংগঠনগুলি স্থানীয় পক্ষদের সাথে নিবিড় সহযোগিতায় একটি যাত্রা শুরু করেছে। আমাদের সর্বজনীন উদ্দেশ্য হল একটি কাজের পরিবেশ সৃষ্টি করা যাতে কোন কর্মীকে আগুন ভবন ধসে পড়া ও অন্য দুর্ঘটনার জন্য ভয় পেতে না হয়, যুক্তিসংগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা পদ্ধতির দ্বারা নিবারণ করা যেতে পারে। সকল প্রাসঙ্গিক শরিকদের সাথে মিলিতভাবে, আমরা জানি আমরা তা করতে পারি – এবং অবশ্যই – চিরকালের জন্য ব্যবস্থা বদলাবো। অ্যাকর্ড প্রবল উদ্যমে এগিয়ে চলেছে, একটি অভূতপূর্ব মাত্রার কর্মসূচী, স্বতন্ত্রতা, কঠোরতা এবং স্বচ্ছতার সাথে। আগুন, বৈদ্যুতিক এবং কাঠামোগত নিরাপত্তার জন্য 250 টির বেশি কারখানা পরিদর্শন করা হয়েছে, এবং প্রতিকার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আটটি কারখানায়, অ্যাকর্ডের পরিদর্শনের দরুণ কর্তৃপক্ষদের সামাজিকভাবে ভবনগুলি খালি করতে হয়েছে যতক্ষণ না যথেষ্ট কাঠামোগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায় এবং কর্মীদের জীবনহানির বিপদ আর না থাকে।

আরও পড়ুন