বাংলাদেশ সাস্টেইনিবিলিটি কমপ্যাক্টের ৪র্থ উচ্চ পর্যায়ের সভার বিষয়ে একর্ড-এর বিবৃতি

বাংলাদেশের তৈরি-পোশাক ও নিটওয়্যার শিল্পে শ্রমিক অধিকার ও কারখানার নিরাপত্তার চলমান উন্নতিসাধনে কমপ্যাক্ট (দ্য কমপ্যাক্ট)- এর ৪র্থ উচ্চ পর্যায়ের সভার বিষয়ে ২০১৮ ট্রানজিশন একর্ড স্টিয়ারিং কমিটির বিবৃতি
২৫ জুন, ব্রাসেলস্‌, বেলজিয়াম

 
মাল্টি-স্টেকহোল্ডার ট্রানজিশন মনিটরিং কমিটি কর্তৃক বাংলাদেশ সরকারের সংস্কারকাজ সমন্বয় সেল (আরসিসি) প্রস্তুত হয়েছে বলে বিবেচনা না করা পর্যন্ত বাংলাদেশে একর্ডের কার্যক্রম চলমান রাখার বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারকে জোর অনুরোধ জানায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডীয় সরকারের প্রতিনিধিবৃন্দ, ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের সদস্য, আইএলও ও একর্ড স্বাক্ষরকারী ব্র্যান্ড এবং ইউনিয়নসমূহ।
 
কমপ্যাক্ট অংশীদারগণ (বাংলাদেশ সরকার, কানাডা সরকার, যুক্তরাষ্ট্র সরকার, ইউরোপিয়ান কমিশন, এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা-আইএলও) কমপ্যাক্টের অধীনে কাজের অগ্রগতি এবং অবশিষ্ট কাজ সম্পর্কে আলোচনার জন্য ২৫ জুন, ২০১৮ তারিখে ব্রাসেলস্‌এ মিলিত হন। জুলাই ২০১৩ তে কমপ্যাক্ট চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পরে ৪র্থ বারের মতো এধরনের অগ্রগতি সম্পর্কিত পর্যালোচনা অনুষ্ঠিত হল।*

ইউনিয়নসমূহ, মালিকপক্ষ, প্রস্তুতকারক, অ্যাপারেল রিটেইলার্স, ব্র্যান্ড এবং সুশীল সমাজের প্রতিষ্ঠানসমূহকে কমপ্যাক্ট মিটিংয়ের অপরাহ্ণ পর্বে অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল যেখানে অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে বাংলাদেশের বস্ত্রশিল্পের নিরাপত্তা সম্পর্কেও আলোচনা করা হয়।
কমপ্যাক্ট অংশীদারগণ স্বীকার করেছেন যে, মে ২০১৭ -তে ঢাকায় অনুষ্ঠিত সর্বশেষ উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে কিছু অগ্রগতিসাধন হয়েছে। সেইফটি কমপ্লায়েন্স বিষয়ে অগ্রগতি ছিল বিশেষভাবে লক্ষণীয়। একইসাথে, বিভিন্ন স্টেকহোল্ডার ও বিভিন্ন কমপ্যাক্ট অংশীদার বা সরকারের প্রতিনিধিবৃন্দ সর্বোতভাবে স্বীকার করেছে যে, বাংলাদেশ সরকারের আরসিসি এখনো বিকাশের প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে, এবং আরসিসি প্রস্তুত বলে বিবেচিত না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশে একর্ড-এর কার্যক্রম চলমান রাখতে হবে।
উক্ত বৈঠক অনুযায়ী ২০১৮ ট্রানজিশন একর্ডে স্বাক্ষরকারী ১৮০ টিরও অধিক ব্র্যান্ডের পক্ষে ব্র্যান্ড প্রতিনিধিদের অবস্থান তুলে ধরা হল।
একর্ড স্বাক্ষরকারীদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আগ্রহের বিষয় হলো, মে ২০১৩-তে শুরু হওয়া সংস্কারকাজ সম্পূর্ণ হওয়া এবং বাংলাদেশী পোশাক শিল্পের কর্মস্থলে নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক একটি টেকসই ও সন্তোষজনক জাতীয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বাস্তবায়িত হওয়া। শ্রমিকদেরকে অনিরাপদ পরিস্থিতিতে রেখে যথাসময়ের পূর্বেই একর্ড বন্ধ হয়ে গেলে, সেটা ব্র্যান্ডসমূহকে নিরাপদ শিল্পকারখানা থেকে পণ্য নেয়ার সামর্থ্যকে ঝুঁকির মুখে ফেলবে এবং বাংলাদেশ থেকে পণ্য নেয়ার বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা এবং সরবরাহকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশের সুনামগত ঝুঁকির বিষয়টি পর্যালোচনা করা হতে পারে।

বিগত ৫ বছরে, একর্ড একটি বলিষ্ঠ, স্বচ্ছ, উচ্চ মান ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে এবং এটা বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি শিল্পের শ্রমিকদের নিরাপত্তা অর্জনে ব্যাপক অগ্রগতিসাধন করেছে। কিন্তু কাজ এখনও সমাপ্ত হয়নি, তবে জাতীয় এ কাঠামোটি সম্পূর্ণ বিপরীত বললেও, দৃঢ়তার সাথে একর্ডের কাজের দায়িত্বভার গ্রহণে এটা এখনও প্রস্তুত নয়।

অক্টোবর ২০১৭ তে বাংলাদেশ সরকার, বিজিএমইএ, ২০১৮ টিএ স্বাক্ষরকারী ব্র্যান্ড এবং ইউনিয়ন প্রতিনিধিবৃন্দের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে ২০১৮ ট্রানজিশন একর্ড (২০১৮ টিএ) এর বিষয়ে একটি সমাধান অর্জিত হয়েছে। এই সমাধানের মাধ্যমে, বাংলাদেশে একর্ডের কার্যক্রম মে ২০১৮ এর পরেও অব্যাহত থাকবে এবং বাংলাদেশ সরকার, বিজিএমইএ, একর্ড স্বাক্ষরকারী ব্র্যান্ড ও ইউনিয়নসমূহ এবং আইএলও-এর প্রতিনিধিবৃন্দের সমন্বয়ে একটি ট্রানজিশন মনিটরিং কমিটি গঠন করা হবে যা স্থায়ীভাবে একর্ডের দায়িত্বভার গ্রহণ করার জন্য জাতীয় সংস্কার কাঠামোর প্রস্তুতির বিষয়টি মূল্যায়ন করবে।
 
একর্ড স্বাক্ষরকারীবৃন্দ এবং বিশেষ করে ব্র্যান্ডসমূহ ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং আইএলও-কে আহ্বান করে যেন সাস্টেইনেবল কমপ্যাক্টের বাংলাদেশ সহকর্মীরা এই ট্রানজিশন মনিটরিং কমিটি প্রতিষ্ঠা করার বিষয়ে পূর্বসম্মত ব্যবস্থাদির প্রতি বাংলাদেশ সরকারের সমর্থন প্রকাশের অনুরোধ জানায়। শুধুমাত্র যখন এই মূল্যায়ন সংস্থা নির্ধারণ করবে যে, পূর্বে সম্মত অভীষ্ট মানদণ্ডের ভিত্তিতে শ্রমিকদের নিরাপত্তার দায়িত্ব গ্রহণ জন্য আরসিসি প্রস্তুত তখনই একর্ড তার কার্যক্রমগুলো ধীরে ধীরে গুটিয়ে নেবে।
অধিকাংশ কমপ্যাক্ট অংশীদারগণ তাদের বিবৃতি এবং মধ্যবর্তী আলোচনায় একর্ড ব্র্যান্ড প্রতিনিধিবৃন্দের অবস্থান ব্যাপকভাবে সমর্থন করেন। ২৫ জুন ২০১৮ এর কমপ্যাক্ট মিটিং-এ অন্যান্য কমপ্যাক্ট সদস্যগণ সরকারী কাঠামোর প্রাতিষ্ঠানিক ও বাস্তবিক প্রস্তুতি সম্পাদনের মূল উপাদান হিসেবে একর্ডের এর দক্ষতা এবং সহযোগিতা কাজে লাগানোর জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।**

বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মার্শিয়া ব্লুম বার্নিকাট বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানান “একর্ড-এর চলমান মূল্যায়ন কাজের সাথে সহযোগী মনোভাব বজায় রাখতে – যদি সেটা না হয় – সেক্ষেত্রে এটা একটি বাংলাদেশ-পরিচালিত কার্যক্রমে রূপান্তরিত হতে পারে। লক্ষ লক্ষ শ্রমিকের নিরাপত্তা এবং কারখানাগুলোর উৎপাদন ক্ষমতার জন্য এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যে, এই মূল্যায়নকে নির্দিষ্ট সময়সীমা আরোপ না করে নিরপেক্ষ এবং নিখুঁতভাবে করতে হবে।”
এমি ম্যাকগ্যান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র বিষয়ক কর্মকর্তা, আরসিসি এর বর্তমান প্রস্তুতি সম্পর্কে এক মন্তব্যে বলেন: “বর্তমানে একর্ড ও অ্যালায়েন্সের কোনো বিকল্প নেই। রেমেডিয়েশন কোঅর্ডিনেশন সেল মাত্র এক বছর আগে শুরু হয়েছে এবং এখনো সম্পূর্ণরূপে লোকবল সম্পন্ন নয়। আমরা অ্যালায়েন্স এবং একর্ডের ক্ষেত্রে যেমন দেখেছি, একটি সম্পূর্ণ কার্যক্ষম নিরাপত্তা সংস্থার বিকাশে কয়েক বছর লেগেছে। এটা বিস্ময়কর নয় যে, আরসিসি দায়িত্বভার গ্রহণ করার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত নয়।”
ইউরোপীয় কমিশন সুনিদির্ষ্টভাবে বাংলাদেশ সরকারকে হাই কোর্টের কাছে পুনরায় জমা দেওয়ার অনুরোধ জানায় (বাংলাদেশ সরকার এবং একর্ডের বিরুদ্ধে Suo Moto কেস) যেটি টিএমসি গঠনে স্পষ্টভাবে বাংলাদেশ সরকারের সমর্থন প্রকাশ করে।
সকল [বাংলাদেশ সাস্টেইনিবিলিটি] কমপ্যাক্ট অংশীদারগণ উল্লেখ করেন যে, কমপ্যাক্ট প্রতিষ্ঠার বিবৃতিতে তাঁরা একর্ডকে স্বাগত জানাচ্ছেন; এটা এমন একটি বিষয় যা আমাদের অব্যাহত রাখা দরকার। ইউরোপীয় কমিশনের একজন প্রতিনিধি এক বিবৃতিতে বলেন, “ইউরোপীয় ইউনিয়ন হিসেবে নভেম্বর ২০১৮ এর পরেও একর্ডের কাজের কোন সমাপ্তির তারিখ যেন না থাকে তা নিশ্চিত করার জন্য আমরা বাংলাদেশ সরকারকে [হাইকোর্টে] পুনরায় জমা দেওয়ার জন্য জোরালোভাবে উত্সাহিত করছি।”
আরও ইতিবাচক যা পাওয়া গিয়েছে তা হল, একটি সুদৃঢ় জাতীয় সংস্কার কাঠামোর প্রতিষ্ঠার জাতীয় প্রচেষ্টাকে পূর্ণ সহায়তা দিতে একর্ড প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। বাংলাদেশ সরকারকে এই সুযোগটি গ্রহণ করা এবং তৈরি-পোশাক শিল্পের লক্ষ লক্ষ শ্রমিকের সুবিধার্থে কর্মস্থলে স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা বিধিমালা ও মানদণ্ড প্রয়োগ করার ক্ষেত্রে আরসিসি-কে যোগ্য করে তুলতে ২০১৮ ট্রানজিশন একর্ডের সাথে কাজ করার জন্য আহ্বান জানানো হয়।
আরসিসি-র প্রস্তুতি সম্পাদনে এবং সম্পূর্ণ কার্যক্ষম একটি জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে একর্ডের কাজ চূড়ান্তভাবে হস্তান্তরে পূর্ণ সহযোগিতা দিতে বাংলাদেশ জাতীয় কর্ম পরিকল্পনা ও আরসিসি অংশীদার এবং কমপ্যাক্ট অংশীদারদের প্রতি একর্ড প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
 

*http://trade.ec.europa.eu/doclib/docs/2018/july/tradoc_157109.pdf
**বৈঠকের সম্পূর্ণ রেকর্ডিং পাবেন এখানে: https://webcast.ec.europa.eu/high-level-meeting-on-bangladesh-compact

 
বিবৃতিটি আপনি এখানে ডাউনলোড করতে পারবেন
 
আরও তথ্যের জন্য, অনুগ্রহ করে যোগাযোগ করুন:
রব ওয়েস
নির্বাহী পরিচালক
rob.wayss@bangladeshaccord.com

www.bangladeshaccord.org
media@bangladeshaccord.com

একর্ড রেমিডিয়েশন ফান্ডের মাধ্যমে পাঁচটি তৈরি পোশাক কারখানাকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে

একর্ড ইনঅ্যাক্টিভ ফ্যাক্টরি রেমিডিয়েশন ফান্ড থেকে প্রাপ্ত আর্থিক সহায়তার মাধ্যমে বাংলাদেশের পাঁচটি তৈরি পোশাক কারখানায় নিরাপত্তামূলক সংস্কার কাজ সম্পন্ন হবে।
 
১৫ই মে ২০১৮

একর্ড ইনঅ্যাক্টিভ ফ্যাক্টরি রেমিডিয়েশন ফান্ড থেকে সংস্কার কাজের জন্য আর্থিক সহায়তা দিতে আজ একর্ডের আওতাভুক্ত আরও দুইটি কারখানার আবেদন অনুমোদন করলো বাংলাদেশে অগ্নি ও ভবন নিরাপত্তায় একর্ড, এতে সহায়তাপ্রাপ্ত কারখানার সংখ্যা দাঁড়ালো পাঁচটিতে।

একর্ডের আওতাভুক্ত তৈরি পোশাক কারখানাগুলোর মধ্যে যাদের ক্রেতা হিসেবে কোন একর্ড স্বাক্ষরকারী কোম্পানি আর কাজ করছেনা, তাদের জন্য ফেব্রুয়ারি ২০১৭ তে একর্ড ফ্যাক্টরি রেমিডিয়েশন ফান্ড চালু করা হয়। একর্ড স্বাক্ষরকারী কোম্পানিসমূহের সাথে ব্যবসা অব্যাহত আছে এমন কারখানাগুলোর থেকে এসব কারখানার সংস্কার কাজ ধীরগতিতে অগ্রসর হচ্ছে।

আর্থিক সহায়তাপ্রাপ্ত কারখানাগুলো হলো হাইপয়েড লঞ্জারি লিমিটেড, রিট্‌জি অ্যাপারেলস, এভারব্রাইট সোয়েটার লিমিটেড, আয়েশা এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড এবং মিক নিট লিমিটেড। এই পর্যন্ত প্রদত্ত সহায়তার পরিমাণ মোট ৪ কোটি টাকারও বেশি ($ ৫১৪,০০০)।

এসকল কারখানার অবশিষ্ট সংস্কার কাজের ক্ষেত্রে একর্ড আর্থিক সহায়তা প্রদান করবে এবং চারটি কিস্তিতে এই তহবিলটি বিতরণ করবে: প্রথমটি আর্থিক সহায়তামূলক চুক্তিতে স্বাক্ষর করার সময় প্রদান করা হয়েছে এবং অবশিষ্ট তিনটি কিস্তি পূর্বের দেয়া কিস্তি ও একর্ড যাচাইকৃত সংস্কার কাজের অগ্রগতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে দেয়া হবে।

সহায়তার জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হওয়ার জন্য, যেসকল কারখানা অনুদানের জন্য আবেদন করেছিল তাদের অবশ্যই দেখাতে হবে যে তারা নিরাপত্তা সংস্কারের জন্য যথাযথ চেষ্টা করেছে। সকল জরুরী নিরাপত্তা বিষয়গুলো (যেমন: বহির্গমন দরজা/ গেট থেকে তালার ব্যবস্থা সরিয়ে ফেলা, কলামের স্ট্রেস কমানোর জন্য লোড ব্যবস্থাপনা), স্বল্প খরচের মেইন্টেনেন্স এর সংস্কার কাজগুলো অবশ্যই সমাপ্ত করতে হবে।

 
এভারব্রাইট সোয়েটার লিমিটেড এর চেয়ারম্যান তৌফিক কাদির বলেন:
“এভারব্রাইট সোয়েটার লিমিটেড ২০১৭ এর ডিসেম্বরে একর্ডের সঙ্গে সংস্কার কাজের আর্থিক সহায়তামূলক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। দুই মাস পরে আমরা রেট্রোফিটিং এবং ফায়ার হাইড্রেন্ট সিস্টেম স্থাপনের অবশিষ্ট কাজ সম্পন্ন করেছি।”

আয়েশা এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড কারখানার ডিরেক্টর নাজমুস সাকিব খান বলেন:
“যখন আমরা একর্ড ইনঅ্যাক্টিভ ফ্যাক্টরি রেমিডিয়েশন ফান্ডের জন্য আবেদন করি, সেই সময়ে আয়েশা এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড নিরাপত্তা বিষয়ক সংস্কার কাজের ৮৬% সম্পন্ন করেছিল। প্রথম কিস্তির টাকা পাওয়ার পরে, আমরা ইঞ্জিনিয়ারিং এসেস্‌মেন্টে চিহ্নিত প্রয়োজনীয় বেশিরভাগ কাজ (যেমন: স্থায়ী আরসিসি পানির ট্যাঙ্ক বসানো, হালকা ওজনের ওয়াল পার্টিশন প্যানেল স্থাপন করা) সম্পন্ন করেছি এবং ফায়ার স্ট্যান্ডপাইপ সিস্টেম কেনার প্রক্রিয়া শুরু করেছি।”

মিক নিট লিমিটেড কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারুক খান বলেন:
“একর্ড ইনঅ্যাক্টিভ ফ্যাক্টরি রেমিডিয়েশন ফান্ডের মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা পাওয়ার পর, আমরা ফায়ার ডিটেকশন এবং হাইড্রেন্ট সিস্টেম আমদানি করার জন্য আমদানি ঋণপত্র খুলতে সক্ষম হই। এখন আমরা এগুলো স্থাপনের কাজ শুরু করতে পারব।”
 
একর্ড এই কারখানাগুলোর ফান্ডের ব্যয় পর্যবেক্ষণ করবে এবং সংস্কার কাজ সম্পন্ন হলে তার ওয়েবসাইটে নাম প্রকাশের মাধ্যমে সংস্কার সম্পন্ন কারখানাগুলোকে স্বীকৃতি দিবে।

একর্ড ডেপুটি ডিরেক্টর ফর ইমপ্লিমেন্টেশন ইয়োরিস ওল্ডেনজিয়েল বলেন:
“ইনঅ্যাক্টিভ ফ্যাক্টরিজ রিমিডিয়েশন ফান্ডের মাধ্যমে একর্ড এর দেওয়া অর্থ সহায়তাপ্রাপ্ত কারখানাসমূহকে আর ফেরত দিতে হবে না। আর্থিক সহায়তার অর্থ শুধুমাত্র নিরাপত্তা সংস্কারের কাজে ব্যয় হচ্ছে তা নিশ্চিত করার জন্য একর্ড নিবিড়ভাবে নজরদারি করবে।”

একর্ড স্বাক্ষরকারী কোম্পানির সাথে ছয় মাসের বেশি সময়ের জন্য ব্যবসা নেই এমন একর্ড আওতাভুক্ত কারখানাসমূহকে সংস্কার কাজ সম্পন্ন করার জন্য আর্থিক সহায়তা পেতে আবেদন করার জন্য উত্সাহিত করা হচ্ছে। একর্ড বর্তমানে ইনঅ্যাক্টিভ কারখানাগুলো থেকে পাওয়া আরও পাঁচটি আবেদন পর্যালোচনা করছে।
 

এই সংবাদ বিজ্ঞপ্তির সাথে এক সেট চিত্র দেয়া আছে।

সংবাদ বিবৃতিটির পিডিএফ ফরম্যাট এখানে ডাউনলোড করুন।

বিস্তারিত তথ্যের জন্য অনুগ্রহ করে যোগাযোগ করুন:
media@bangladeshaccord.com

ইয়্যোরিস ওল্ডেনজিল, ডেপুটি ডিরেক্টর ফর ইমপ্লিমেন্টেশন
joris.oldenziel@bangladeshaccord.com
অফিস আমস্টারডাম: + ৩১ (০) ২০ ৫২০ ৭৪৩১
মোবাইল: + ৩১ ৬১৪৯৫৪৪৩০

বাংলাদেশে অগ্নি ও ভবন নিরাপত্তায় একর্ড এর স্টিয়ারিং কমিটি নিম্নলিখিত বিবৃতিটি প্রদান করেছে

পাঁচ বছর আগে ১৫ মে ২০১৩ তে, আন্তর্জাতিক পোশাক ব্র্যান্ড ও খুচরা বিক্রেতাগণের একটি দল এবং দুইটি আন্তর্জাতিক ট্রেড ইউনিয়ন এবং তাদের সাথে সম্পৃক্ত জাতীয় ট্রেড ইউনিয়নসমূহ বাংলাদেশের পোশাক কারখানাগুলো নিরাপদ করার জন্য একটি অভূতপূর্ব চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। তারপর থেকে ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া এবং এশিয়ার ২২০ টি ব্র্যান্ড, খুচরা বিক্রেতা, আমদানীকারক এবং এজেন্ট একর্ডে স্বাক্ষর করেন। একর্ডে স্বাক্ষরের মাধ্যমে এই ২২০ টি ব্র্যান্ড এবং খুচরা বিক্রেতাসমূহ বাংলাদেশের সাথে তাদের দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসায়িক সম্পর্ক বজায় রাখার এবং বাংলাদেশে একটি নিরাপদ ও টেকসই তৈরী পোশাক শিল্পের (আরএমজি) জন্য অবদান রাখার অঙ্গীকার প্রদর্শন করে।

একর্ড স্বীকার করে যে, গত পাঁচ বছরে বাংলাদেশের আরএমজি শিল্পে অগ্নি ও ভবন নিরাপত্তা উন্নয়নে অসাধারণ অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। একর্ডের আওতাভুক্ত ১৬২০ টি কারখানায় সংস্কারের সামগ্রিক অগ্রগতির হার ৮৫%। ২৪ লক্ষ শ্রমিকের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে ১০০০ এরও বেশি কারখানায় একর্ড গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা তথ্য প্রদান করেছে। এই সকল প্রচেষ্টার ফলে বর্তমানে লক্ষ লক্ষ শ্রমিক নিরাপদ কারখানায় কাজ করছে। এছাড়াও বাংলাদেশের পোশাক কারখানাসমূহ বাস্তবিকরূপে উপকৃত হয়েছে, কারণ ক্রেতারা উপলব্ধি করেন যে নিরাপত্তা কাজ সম্পন্ন করেছে এমন কারখানাগুলো তাদের জন্য অনেক কম ঝুঁকি বহন করে।

কারখানার মালিকরাসহ অনেকেই, যারা প্রয়োজনীয় নিরাপত্তামূলক সংস্কার কাজে একর্ডকে সহযোগিতা করেছেন তারা এই প্রচেষ্টার কৃতিত্বের অংশীদার। লেবার-কর্পোরেট পার্টনারশিপ যা চুক্তিটির মুল বিষয়, নিরাপত্তা বিষয়ক সংস্কারগুলো সম্পন্ন করতে কারখানা মালিকেরা যেন আর্থিকভাবে সক্ষম হয় তা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে একর্ডের উপলব্ধি এবং চুক্তিটি বাধ্যতামূলক- এই অনন্য বৈশিষ্ট্যসমূহই একর্ডের সাফল্যের মূলমন্ত্র। কারখানা কর্তৃপক্ষ, শ্রমিক এবং তাদের ট্রেড ইউনিয়ন, আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড এবং আন্তর্জাতিক ইউনিয়নগুলির জন্য একর্ড একটি অসাধারণ সুযোগ হিসেবে কাজ করছে, যার মাধ্যমে তাদের কর্মীদের একত্রিত করে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পকে জর্জরিত করে তোলা ভবনের গঠনগত সমস্যা এবং অগ্নি নিরাপত্তা ক্ষেত্রের ঘাটতিগুলো সমাধান করা সম্ভব হবে।

একই সাথে, আমরা স্বীকার করি যে, সংস্কার কাজ এখনও শেষ হয়নি। পূর্ণ সংস্কার সম্পন্ন হতে এবং কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা একটি গ্রহণযোগ্য পর্যায়ে পৌঁছাতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। এখনও শতশত কারখানায় জীবনের জন্য হুমকিস্বরূপ নিরাপত্তা ঝুঁকি যেমন অপর্যাপ্ত ফায়ার এক্সিট, ফায়ার এলার্ম এবং ফায়ার প্রটেকশন সিস্টেম বিদ্যমান রয়েছে, এবং এখন পর্যন্ত সংস্কারের হার ৮৫%।

অগ্নি ও ভবন নিরাপত্তার অর্থ শুধুমাত্র কারখানাকে নিরাপদ করে তোলার জন্য পরিচালিত সংস্কার কাজ-ই নয়, বরং কারখানার নিরাপত্তা বজায় রাখতে একটি চলমান সতর্কতা প্রক্রিয়া। এই সতর্কতা বজায় রাখতে কঠোর এবং নিয়মিতভাবে কারখানা পরিদর্শন করা আবশ্যক। আজ পর্যন্ত এই কাজের দায়িত্ব বুঝে নেয়ার মত পূর্ণ সামর্থ্যসম্পন্ন কোন জাতীয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা গড়ে উঠেনি। তাই, এই অপরিহার্য নিরাপত্তা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে একর্ডের স্বাক্ষরকারীগণ ২০১৮ অন্তর্বর্তীকালীন একর্ড স্বাক্ষর করার সিদ্ধান্ত নেন।

এ সপ্তাহে, বাংলাদেশ সরকার মে ২০১৮ এর পর একর্ড কার্যক্রমের মেয়াদ বাড়ানোর অনুমোদন দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সম্পূর্ণরূপে কার্যক্ষম এবং উপযুক্ত একটি জাতীয় নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে একর্ডের কার্যক্রম হস্তান্তরের জন্য অনুমোদিত শর্তসমূহ পূরণ হচ্ছে কিনা তা নির্ধারণ করার জন্য সরকার একটি যৌথ “ট্রানজিশন মনিটরিং কমিটি” (টিএমসি) প্রতিষ্ঠা করেছে।

একর্ড ব্র্যান্ডসমূহ, আন্তর্জাতিক ট্রেড ইউনিয়নসমূহ, বিজিএমইএ, আইএলও এবং বাংলাদেশ সরকারের সমন্বয়ে গঠিত টিএমসি গত ০৬ মে, ২০১৮ তারিখে বৈঠক করেন এবং নির্ধারণ করেন যে, একর্ড এবং বিজিএমইএ-র সম্মতিতে গৃহীত এবং বাংলাদেশ সরকার দ্বারা অনুমোদিত শর্তসমূহ এখনও পূরণ হয়নি।

এই শর্তসমূহের মধ্যে রয়েছে: পরিদর্শন এর জন্য দক্ষতা প্রদর্শন করা, ঝুঁকি সংস্কার, নন-কমপ্লায়েন্ট কারখানার বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগ, পরিচালনা এবং সংস্কারের অগ্রগতির ব্যাপারে পূর্ণ স্বচ্ছতা, এবং শ্রমিকদের নিরাপত্তা বিষয়ক অভিযোগের তদন্ত এবং ন্যায্য সমাধান দেয়া।

একর্ড আনন্দিত যে, ১লা জুন- এ ২০১৮ অন্তর্বর্তীকালীন একর্ড এর সূচনা এবং এই শর্তসমূহ পূরণ না হওয়া পর্যন্ত একর্ড অব্যাহত থাকার বিষয়টি বিজিএমইএ সমর্থন করে।

 

বিস্তারিত তথ্যের জন্য অনুগ্রহ করে যোগাযোগ করুন:

ইয়্যোরিস ওল্ডেনজিয়েল
ডেপুটি ডিরেক্টর ফর ইমপ্লিমেন্টেশন
joris.oldenziel@bangladeshaccord.com
+ ৩১ ৬১৪৯৫৪৪৩০

মাইকেল ব্রাইড
ডেপুটি ডিরেক্টর ফর ওয়ার্ক প্লেস প্রোগ্রাম্‌স এন্ড বাংলাদেশ স্টেকহোল্ডার এন্‌গেজমেন্ট

michael.bride@bangladeshaccord.com 

+৮৮০ ১৭০ ৯৬৪ ১০৬০/ + ১ ২০২ ৫৩১ ৫৬৬৯

www.bangladeshaccord.org
media@bangladeshaccord.com

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি: একর্ড সেইফটি এন্ড হেল্‌থ কমপ্লেইন্টস মেকানিজ্যম হ্যান্ডলার

বাংলাদেশ একর্ড সম্পর্কে
বাংলাদেশে অগ্নি ও ভবন নিরাপত্তায় একর্ড (“একর্ড”) আন্তর্জাতিক ইউনিয়ন- ইন্ডাস্ট্রিঅল এবং ইউনি, বাংলাদেশী ইউনিয়নসমূহ, এবং বর্তমানে ২২০ টির বেশি ব্র্যান্ড এবং খুচরা বিক্রেতাগণের মধ্যে আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক একটি ঐতিহাসিক চুক্তি। একর্ডের লক্ষ্য হলো, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক (আরএমজি) শিল্পের নিরাপত্তার মানোন্নয়ন করা।
 
টার্মস্‌ অফ রেফারেন্স
একর্ড হেড অফ ট্রেইনিং (এইচওটি), কেইস হ্যান্ডলার বিভাগের ম্যানেজার এবং একর্ড নির্বাহী পরিচালকের (ইডি) তত্ত্বাবধানে, একর্ড সেইফটি এন্ড হেল্‌থ কমপ্লেইন্টস স্পেশালিস্ট (এসএইচসিএস) এর কাছে রিপোর্টিং এর মাধ্যমে একর্ড কমপ্লেইন্টস মেকানিজ্যম হ্যান্ডলার (সিএমএইচ) বাংলাদেশে একর্ডের কমপ্লেইন্টস বিভাগের অধীনে কাজ করবে।
 
একর্ড সিএমএইচ এর কর্মক্ষেত্র ঢাকা, ঢাকার আশেপাশে অথবা চট্টগ্রামে হবে।


চাকরির পূর্ণ বিবরণ এখানে ডাউনলোড করুন (ইংরেজীতে)।

মে ২০১৮ এর পর একর্ড অব্যাহত থাকা প্রসঙ্গে বিবৃতি

বাংলাদেশ একর্ডের নিরাপত্তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে

মে ২০১৮ এর পর একর্ড কার্যক্রমের মেয়াদ বাড়ানোর অনুমোদন দিয়েছে সরকার

স্থানীয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা যখন কারখানা পরিদর্শন, সংস্কার কাজে বাধ্য করা, এবং শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে তাদের পূর্ণ সামর্থ্য প্রদর্শন করবে, তখন একর্ড বাংলাদেশ ছেড়ে চলে যাবে

 

বাংলাদেশ সরকার সম্মত হয়েছে যে, যতদিন পর্যন্ত স্থানীয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা যথাযথভাবে প্রস্তুতির নির্ধারিত শর্তাবলী পূরণ করতে না পারবে ততদিন পর্যন্ত বাংলাদেশে অগ্নি ও ভবন নিরাপত্তায় একর্ড (দ্য একর্ড) কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।

একর্ডের স্বাক্ষরকারী ব্র্যান্ড এবং ট্রেড ইউনিয়ন, বিজিএমইএ, আইএলও, বাণিজ্য ও শ্রম মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীগণ গত ১৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত সভায় এই সম্মতিতে পৌঁছান। যেহেতু সকল পক্ষ উপলব্ধি করে যে, একর্ড স্বাক্ষরকারী ব্র্যান্ডসমূহের জন্য উৎপাদনকারী কারখানার শ্রমিকদের নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্ব জাতীয় নিয়ন্ত্রক সংস্থার হাতে দায়িত্বপূর্ণভাবে হস্তান্তর করার পূর্বে যথেষ্ট পরিমাণে সক্ষমতা অর্জন করা প্রয়োজন, সেহেতু মে ২০১৮ এর পর কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে প্রস্তুত একর্ড।
আরও পড়ুন

বাংলাদেশে অগ্নি ও ভবন নিরাপত্তায় একর্ড এর দ্বিতীয় মেয়াদে কোম্পানি এবং ট্রেড ইউনিয়নসমূহের ঐক্যমত

আমস্টারডাম/ ঢাকা, ২৯ জুন ২০১৭। কোম্পানি এবং ট্রেড ইউনিয়নসমূহ ২য় মেয়াদে বাংলাদেশে অগ্নি ও ভবন নিরাপত্তায় একর্ড (“একর্ড”) এর জন্য ঐক্যমত পোষণ করেছে। আগামী মে ২০১৮ তে বর্তমান একর্ডের মেয়াদ শেষ হলে এই চুক্তিটি কার্যকর হবে। বাংলাদেশের কারখানাগুলোকে নিরাপদ করে তুলতে কোম্পানি ও ট্রেড ইউনিয়নগুলোর মধ্যে অভূতপূর্ব, আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক চুক্তি একর্ড।
আরও পড়ুন

একর্ডের ৪ বছরে বাংলাদেশে পোশাক শিল্পের কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি

চার বছরে বাংলাদেশে অগ্নি ও ভবন নিরাপত্তায় একর্ড বাংলাদেশের পোশাক কারখানাসমূহে উল্লেখযোগ্য উন্নতিসাধন করেছে এবং কারখানায় অমীমাংসিত নিরাপত্তা সমস্যা সমাধানে কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমান চুক্তির শেষ বছরে পদার্পণ করে কারখানাগুলোকে সংস্কার কাজ সম্পন্ন করতে সহায়তা করার জন্য একটি সরাসরি আর্থিক সহায়তা কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

নিউজলেটার জুলাই ২০১৬

স্বাক্ষরকারী, কারখানা এবং একর্ডের কারখানা নিরাপত্তা কার্যক্রমে আগ্রহী সকলের জন্য বাংলাদেশ একর্ডের নিউজলেটার।

পরিদর্শন
একর্ডে এখন ১০০ জনেরও বেশি ইঞ্জিনিয়ার রয়েছে, যারা প্রতি মাসে প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ টি ফলো- আপ পরিদর্শন করে থাকে। একটি কারখানা গড়ে তিন মাসে অন্তত একবার পরিদর্শিত হয়।
প্রাথমিকভাবে একর্ডের তালিকাভুক্ত হওয়ার পরে ৩ থেকে ৪ মাসের মধ্যেই স্বাক্ষরকারী কোম্পানি এবং কারখানা একটি প্রাথমিক পরিদর্শন আশা করতে পারেন।
আরও পড়ুন

Subscribe to our Newsletter



ত্রৈমাসিক আপডেট মার্চ ২০১৬

স্বাক্ষরকারী, কারখানা এবং একর্ডের কারখানা নিরাপত্তা কার্যক্রমে আগ্রহী সকলের জন্য বাংলাদেশ একর্ডের নিউজলেটার।

পরিদর্শন
একর্ডে স্বাক্ষরকারী কোম্পানিগুলো কারখানা তালিকায় নতুন কারখানা অন্তর্ভুক্ত করছে এবং এপ্রিল ২০১৬ হতে নতুন এক দফায় প্রাথমিক পরিদর্শন পরিচালিত হবে। বর্তমানে সর্বমোট ১৬৬১ টি কারখানা একর্ডের আওতাভুক্ত রয়েছে।

আরও পড়ুন