নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি: একর্ড সেইফটি এন্ড হেল্‌থ কমপ্লেইন্টস মেকানিজ্যম হ্যান্ডলার

বাংলাদেশ একর্ড সম্পর্কে
বাংলাদেশে অগ্নি ও ভবন নিরাপত্তায় একর্ড (“একর্ড”) আন্তর্জাতিক ইউনিয়ন- ইন্ডাস্ট্রিঅল এবং ইউনি, বাংলাদেশী ইউনিয়নসমূহ, এবং বর্তমানে ২২০ টির বেশি ব্র্যান্ড এবং খুচরা বিক্রেতাগণের মধ্যে আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক একটি ঐতিহাসিক চুক্তি। একর্ডের লক্ষ্য হলো, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক (আরএমজি) শিল্পের নিরাপত্তার মানোন্নয়ন করা।
 
টার্মস্‌ অফ রেফারেন্স
একর্ড হেড অফ ট্রেইনিং (এইচওটি), কেইস হ্যান্ডলার বিভাগের ম্যানেজার এবং একর্ড নির্বাহী পরিচালকের (ইডি) তত্ত্বাবধানে, একর্ড সেইফটি এন্ড হেল্‌থ কমপ্লেইন্টস স্পেশালিস্ট (এসএইচসিএস) এর কাছে রিপোর্টিং এর মাধ্যমে একর্ড কমপ্লেইন্টস মেকানিজ্যম হ্যান্ডলার (সিএমএইচ) বাংলাদেশে একর্ডের কমপ্লেইন্টস বিভাগের অধীনে কাজ করবে।
 
একর্ড সিএমএইচ এর কর্মক্ষেত্র ঢাকা, ঢাকার আশেপাশে অথবা চট্টগ্রামে হবে।


চাকরির পূর্ণ বিবরণ এখানে ডাউনলোড করুন (ইংরেজীতে)।

মে ২০১৮ এর পর একর্ড অব্যাহত থাকা প্রসঙ্গে বিবৃতি

বাংলাদেশ একর্ডের নিরাপত্তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে
মে ২০১৮ এর পর একর্ডের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার অনুমতি দিয়েছে সরকার
স্থানীয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা যখন কারখানা পরিদর্শন, সংস্কার কাজে বাধ্য করা, এবং শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে তাদের পূর্ণ সামর্থ্য প্রদর্শন করবে, তখন একর্ড বাংলাদেশ ছেড়ে চলে যাবে

 
বাংলাদেশ সরকার সম্মত হয়েছে যে, যতদিন পর্যন্ত স্থানীয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা যথাযথভাবে প্রস্তুতির নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে না পারবে ততদিন বাংলাদেশে অগ্নি ও ভবন নিরাপত্তায় একর্ড (দ্য একর্ড) কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।

একর্ডের স্বাক্ষরকারী ব্র্যান্ড এবং ট্রেড ইউনিয়ন, বিজিএমইএ, বাণিজ্য ও শ্রম মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীগণ গত ১৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত সভায় এই সম্মতিতে পৌঁছান। যেহেতু সকল পক্ষ উপলব্ধি করে যে, একর্ড স্বাক্ষরকারী ব্র্যান্ডসমূহের জন্য উৎপাদনকারী কারখানার শ্রমিকদের নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্ব জাতীয় নিয়ন্ত্রক সংস্থার হাতে দায়িত্বপূর্ণভাবে হস্তান্তর করার পূর্বে যথেষ্ট পরিমাণে সক্ষমতা অর্জন করা প্রয়োজন, সেহেতু মে ২০১৮ এর পর কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে প্রস্তুত একর্ড। জুন ২০১৭ তে, আন্তর্জাতিক পোশাক ব্র্যান্ড ও খুচরা বিক্রেতাগণের একটি দল এবং ২ টি আন্তর্জাতিক ইউনিয়ন ২০১৮ একর্ডে স্বাক্ষর করে, যা মে ২০২১ পর্যন্ত বাংলদেশে একর্ডের নিরাপত্তা কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে। এখন পর্যন্ত ৪৭ টি ব্র্যান্ড এবং খুচরা বিক্রেতাগণ স্বাক্ষর করেছে যার মধ্যে বর্তমানের ১২০০ টি কারখানা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। স্বাক্ষরকারী ব্র্যান্ড ও ট্রেড ইউনিয়নসমূহ বাংলাদেশ সরকার, বিজিএমইএ, ইন্ডাস্ট্রিঅল বাংলাদেশ এর সহযোগী ইউনিয়নসমূহ, এবং আইএলও এর সাথে সম্পৃক্ত হয়ে প্রয়োজনীয় শর্তসমূহ বাস্তবায়ন করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, যা পূরণ হলে একর্ডের কার্যক্রমসমূহ জাতীয় নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে হস্তান্তর করা সম্ভব হবে।
আরও পড়ুন