একর্ড রেমিডিয়েশন ফান্ডের মাধ্যমে পাঁচটি তৈরি পোশাক কারখানাকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে

একর্ড ইনঅ্যাক্টিভ ফ্যাক্টরি রেমিডিয়েশন ফান্ড থেকে প্রাপ্ত আর্থিক সহায়তার মাধ্যমে বাংলাদেশের পাঁচটি তৈরি পোশাক কারখানায় নিরাপত্তামূলক সংস্কার কাজ সম্পন্ন হবে।
 
১৫ই মে ২০১৮

একর্ড ইনঅ্যাক্টিভ ফ্যাক্টরি রেমিডিয়েশন ফান্ড থেকে সংস্কার কাজের জন্য আর্থিক সহায়তা দিতে আজ একর্ডের আওতাভুক্ত আরও দুইটি কারখানার আবেদন অনুমোদন করলো বাংলাদেশে অগ্নি ও ভবন নিরাপত্তায় একর্ড, এতে সহায়তাপ্রাপ্ত কারখানার সংখ্যা দাঁড়ালো পাঁচটিতে।

একর্ডের আওতাভুক্ত তৈরি পোশাক কারখানাগুলোর মধ্যে যাদের ক্রেতা হিসেবে কোন একর্ড স্বাক্ষরকারী কোম্পানি আর কাজ করছেনা, তাদের জন্য ফেব্রুয়ারি ২০১৭ তে একর্ড ফ্যাক্টরি রেমিডিয়েশন ফান্ড চালু করা হয়। একর্ড স্বাক্ষরকারী কোম্পানিসমূহের সাথে ব্যবসা অব্যাহত আছে এমন কারখানাগুলোর থেকে এসব কারখানার সংস্কার কাজ ধীরগতিতে অগ্রসর হচ্ছে।

আর্থিক সহায়তাপ্রাপ্ত কারখানাগুলো হলো হাইপয়েড লঞ্জারি লিমিটেড, রিট্‌জি অ্যাপারেলস, এভারব্রাইট সোয়েটার লিমিটেড, আয়েশা এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড এবং মিক নিট লিমিটেড। এই পর্যন্ত প্রদত্ত সহায়তার পরিমাণ মোট ৪ কোটি টাকারও বেশি ($ ৫১৪,০০০)।

এসকল কারখানার অবশিষ্ট সংস্কার কাজের ক্ষেত্রে একর্ড আর্থিক সহায়তা প্রদান করবে এবং চারটি কিস্তিতে এই তহবিলটি বিতরণ করবে: প্রথমটি আর্থিক সহায়তামূলক চুক্তিতে স্বাক্ষর করার সময় প্রদান করা হয়েছে এবং অবশিষ্ট তিনটি কিস্তি পূর্বের দেয়া কিস্তি ও একর্ড যাচাইকৃত সংস্কার কাজের অগ্রগতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে দেয়া হবে।

সহায়তার জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হওয়ার জন্য, যেসকল কারখানা অনুদানের জন্য আবেদন করেছিল তাদের অবশ্যই দেখাতে হবে যে তারা নিরাপত্তা সংস্কারের জন্য যথাযথ চেষ্টা করেছে। সকল জরুরী নিরাপত্তা বিষয়গুলো (যেমন: বহির্গমন দরজা/ গেট থেকে তালার ব্যবস্থা সরিয়ে ফেলা, কলামের স্ট্রেস কমানোর জন্য লোড ব্যবস্থাপনা), স্বল্প খরচের মেইন্টেনেন্স এর সংস্কার কাজগুলো অবশ্যই সমাপ্ত করতে হবে।

 
এভারব্রাইট সোয়েটার লিমিটেড এর চেয়ারম্যান তৌফিক কাদির বলেন:
“এভারব্রাইট সোয়েটার লিমিটেড ২০১৭ এর ডিসেম্বরে একর্ডের সঙ্গে সংস্কার কাজের আর্থিক সহায়তামূলক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। দুই মাস পরে আমরা রেট্রোফিটিং এবং ফায়ার হাইড্রেন্ট সিস্টেম স্থাপনের অবশিষ্ট কাজ সম্পন্ন করেছি।”

আয়েশা এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড কারখানার ডিরেক্টর নাজমুস সাকিব খান বলেন:
“যখন আমরা একর্ড ইনঅ্যাক্টিভ ফ্যাক্টরি রেমিডিয়েশন ফান্ডের জন্য আবেদন করি, সেই সময়ে আয়েশা এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড নিরাপত্তা বিষয়ক সংস্কার কাজের ৮৬% সম্পন্ন করেছিল। প্রথম কিস্তির টাকা পাওয়ার পরে, আমরা ইঞ্জিনিয়ারিং এসেস্‌মেন্টে চিহ্নিত প্রয়োজনীয় বেশিরভাগ কাজ (যেমন: স্থায়ী আরসিসি পানির ট্যাঙ্ক বসানো, হালকা ওজনের ওয়াল পার্টিশন প্যানেল স্থাপন করা) সম্পন্ন করেছি এবং ফায়ার স্ট্যান্ডপাইপ সিস্টেম কেনার প্রক্রিয়া শুরু করেছি।”

মিক নিট লিমিটেড কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারুক খান বলেন:
“একর্ড ইনঅ্যাক্টিভ ফ্যাক্টরি রেমিডিয়েশন ফান্ডের মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা পাওয়ার পর, আমরা ফায়ার ডিটেকশন এবং হাইড্রেন্ট সিস্টেম আমদানি করার জন্য আমদানি ঋণপত্র খুলতে সক্ষম হই। এখন আমরা এগুলো স্থাপনের কাজ শুরু করতে পারব।”
 
একর্ড এই কারখানাগুলোর ফান্ডের ব্যয় পর্যবেক্ষণ করবে এবং সংস্কার কাজ সম্পন্ন হলে তার ওয়েবসাইটে নাম প্রকাশের মাধ্যমে সংস্কার সম্পন্ন কারখানাগুলোকে স্বীকৃতি দিবে।

একর্ড ডেপুটি ডিরেক্টর ফর ইমপ্লিমেন্টেশন ইয়োরিস ওল্ডেনজিয়েল বলেন:
“ইনঅ্যাক্টিভ ফ্যাক্টরিজ রিমিডিয়েশন ফান্ডের মাধ্যমে একর্ড এর দেওয়া অর্থ সহায়তাপ্রাপ্ত কারখানাসমূহকে আর ফেরত দিতে হবে না। আর্থিক সহায়তার অর্থ শুধুমাত্র নিরাপত্তা সংস্কারের কাজে ব্যয় হচ্ছে তা নিশ্চিত করার জন্য একর্ড নিবিড়ভাবে নজরদারি করবে।”

একর্ড স্বাক্ষরকারী কোম্পানির সাথে ছয় মাসের বেশি সময়ের জন্য ব্যবসা নেই এমন একর্ড আওতাভুক্ত কারখানাসমূহকে সংস্কার কাজ সম্পন্ন করার জন্য আর্থিক সহায়তা পেতে আবেদন করার জন্য উত্সাহিত করা হচ্ছে। একর্ড বর্তমানে ইনঅ্যাক্টিভ কারখানাগুলো থেকে পাওয়া আরও পাঁচটি আবেদন পর্যালোচনা করছে।
 

এই সংবাদ বিজ্ঞপ্তির সাথে এক সেট চিত্র দেয়া আছে।

সংবাদ বিবৃতিটির পিডিএফ ফরম্যাট এখানে ডাউনলোড করুন।

বিস্তারিত তথ্যের জন্য অনুগ্রহ করে যোগাযোগ করুন:
media@bangladeshaccord.com

ইয়্যোরিস ওল্ডেনজিল, ডেপুটি ডিরেক্টর ফর ইমপ্লিমেন্টেশন
joris.oldenziel@bangladeshaccord.com
অফিস আমস্টারডাম: + ৩১ (০) ২০ ৫২০ ৭৪৩১
মোবাইল: + ৩১ ৬১৪৯৫৪৪৩০