মে ২০১৮ এর পর একর্ড অব্যাহত থাকা প্রসঙ্গে বিবৃতি

বাংলাদেশ একর্ডের নিরাপত্তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে
মে ২০১৮ এর পর একর্ডের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার অনুমতি দিয়েছে সরকার
স্থানীয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা যখন কারখানা পরিদর্শন, সংস্কার কাজে বাধ্য করা, এবং শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে তাদের পূর্ণ সামর্থ্য প্রদর্শন করবে, তখন একর্ড বাংলাদেশ ছেড়ে চলে যাবে

 
বাংলাদেশ সরকার সম্মত হয়েছে যে, যতদিন পর্যন্ত স্থানীয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা যথাযথভাবে প্রস্তুতির নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে না পারবে ততদিন বাংলাদেশে অগ্নি ও ভবন নিরাপত্তায় একর্ড (দ্য একর্ড) কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।

একর্ডের স্বাক্ষরকারী ব্র্যান্ড এবং ট্রেড ইউনিয়ন, বিজিএমইএ, বাণিজ্য ও শ্রম মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীগণ গত ১৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত সভায় এই সম্মতিতে পৌঁছান। যেহেতু সকল পক্ষ উপলব্ধি করে যে, একর্ড স্বাক্ষরকারী ব্র্যান্ডসমূহের জন্য উৎপাদনকারী কারখানার শ্রমিকদের নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্ব জাতীয় নিয়ন্ত্রক সংস্থার হাতে দায়িত্বপূর্ণভাবে হস্তান্তর করার পূর্বে যথেষ্ট পরিমাণে সক্ষমতা অর্জন করা প্রয়োজন, সেহেতু মে ২০১৮ এর পর কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে প্রস্তুত একর্ড। জুন ২০১৭ তে, আন্তর্জাতিক পোশাক ব্র্যান্ড ও খুচরা বিক্রেতাগণের একটি দল এবং ২ টি আন্তর্জাতিক ইউনিয়ন ২০১৮ একর্ডে স্বাক্ষর করে, যা মে ২০২১ পর্যন্ত বাংলদেশে একর্ডের নিরাপত্তা কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে। এখন পর্যন্ত ৪৭ টি ব্র্যান্ড এবং খুচরা বিক্রেতাগণ স্বাক্ষর করেছে যার মধ্যে বর্তমানের ১২০০ টি কারখানা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। স্বাক্ষরকারী ব্র্যান্ড ও ট্রেড ইউনিয়নসমূহ বাংলাদেশ সরকার, বিজিএমইএ, ইন্ডাস্ট্রিঅল বাংলাদেশ এর সহযোগী ইউনিয়নসমূহ, এবং আইএলও এর সাথে সম্পৃক্ত হয়ে প্রয়োজনীয় শর্তসমূহ বাস্তবায়ন করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, যা পূরণ হলে একর্ডের কার্যক্রমসমূহ জাতীয় নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে হস্তান্তর করা সম্ভব হবে।

গত সপ্তাহে, বাংলাদেশ সরকার নিশ্চিত করেছে যে, যতদিন পর্যন্ত একটি যৌথ পর্যবেক্ষক কমিটি (একর্ড স্বাক্ষরকারী ব্র্যান্ডসমূহ, একর্ড স্বাক্ষরকারী ট্রেড ইউনিয়নসমূহ, বিজিএমইএ, আইএলও এবং বাংলাদেশ সরকারের সমন্বয়ে গঠিত) একমত না হচ্ছে যে, দায়িত্ব হস্তান্তরের জন্য বিবৃত শর্তসমূহ পূরণ হয়েছে ততদিন পর্যন্ত তারা মে ২০১৮ এর পর একর্ড এর মেয়াদ বৃদ্ধির অনুমতি প্রদান করবে। এই শর্তসমূহ পূরণ হয়েছে কিনা তার অগ্রগতি দ্বিবার্ষিকভাবে পর্যালোচনা করবে এই যৌথ পর্যবেক্ষক কমিটি। এই যথাযথ প্রস্তুতির নির্ধারিত শর্তের মধ্যে রয়েছে: পরিদর্শন এর জন্য দক্ষতা প্রদর্শন করা, ঝুঁকি সংস্কার, নন-কমপ্লায়েন্ট কারখানার বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগ, পরিচালনা এবং সংস্কারের অগ্রগতির ব্যাপারে পূর্ণ স্বচ্ছতা, এবং শ্রমিকদের নিরাপত্তা বিষয়ক অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং সমাধান দেয়া। যখন যৌথ পর্যবেক্ষক কমিটি দায়িত্ব হস্তান্তরের জন্য শর্তসমূহ পূরণ হয়েছে বলে একমত হবে, তখন আরও ছয় মাসের অন্তবর্তীকালীন সময় দেয়া হবে, এরপর স্থানীয় সংস্থা এখনকার একর্ডের আওতাধীন কারখানাগুলোর দায়িত্বভার গ্রহণ করবে।
 
এইচএন্ডএম এর সাসটেইনেবিলিটি গ্লোবাল প্রোডাকশন প্রধান পাসকাল ব্রুন বলেন:
“এইচএন্ডএম নিশ্চিত যে, সঠিক তত্ত্বাবধান পদ্ধতি সম্পন্ন একটি নির্ভরযোগ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা একর্ডের সকল কার্যক্রম চালিয়ে নিতে সক্ষম তা নিশ্চিত হওয়ার আগ পর্যন্ত ২০১৩ একর্ডের উল্লেখযোগ্য অর্জন ‘অন্তর্বর্তীকালীন একর্ড’ এও অব্যাহত থাকবে”।

ইন্ডাস্ট্রিঅল গ্লোবাল ইউনিয়নের সহকারী সাধারণ সম্পাদক এবং একর্ডের বোর্ড মেম্বার জেনি হোল্ডক্রফ্‌ট, বলেন:
“সবসময়ই আমাদের লক্ষ্য হলো পূর্ণ ক্ষমতা, স্বচ্ছতা, এবং পরিচালনা সঠিকভাবে হচ্ছে এমন একটি জাতীয় নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে একর্ডের কার্যক্রম হস্তান্তর করা যেন আমরা নিশ্চয়তা পাই যে, একর্ডের আওতায় শ্রমিকদের যে সুরক্ষা দেয়া হয় তা অক্ষুণ্ণ থাকবে”।
 
একর্ড সেক্রেটারিয়েট এবং এর স্বাক্ষরকারীগণ মনে করে যে, বাংলাদেশের জন্য চূড়ান্ত সমাধান হলো বাংলাদেশী কর্তৃপক্ষ দ্বারা সর্বসাধারণের জন্য কার্যকর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা। বাংলাদেশ সরকার এবং ন্যাশনাল প্ল্যান অফ অ্যাকশন সহকর্মীদের সাথে শেষ পর্যন্ত গঠনমূলকভাবে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ একর্ড। লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত, একর্ড বাংলাদেশী কর্তৃপক্ষের সাথে  সহযোগিতামূলকভাবে কাজ করতে থাকবে এবং পরিদর্শন, সংস্কার, সেইফটি কমিটি প্রশিক্ষণ কার্যক্রম এবং অভিযোগ প্রক্রিয়া নিয়ে কাজ করার মাধ্যমে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পকে নিরাপদ এবং টেকসই করে তোলার লক্ষ্য অর্জনে সচেষ্ট হবে, যেখানে কোনও শ্রমিককে আগুন লাগা, ভবন ভেঙ্গে পড়া বা অন্যান্য দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কায় থাকতে হবেনা যেটি যথাযথ স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে প্রতিরোধ করা সম্ভব।
 

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিটি আপনি এখানেও ডাউনলড করতে পারবেন

একর্ড অফিস ঢাকা:
মাহফুজা আক্তার, কমিউনিকেশনস অফিসার
mahafuza.akter@bangladeshaccord.com
+৮৮ ০২ ৯৮৫২০৯৩
+৮৮ ০১৭৬৬৬৯৫৯২৬

বাংলাদেশের বাইরে প্রেসের জন্য:
ইয়্যোরিস ওল্ডেনজিল, হেড অফ পাবলিক অ্যাফেয়ারস এন্ড স্টেকহোল্ডার এনগেজমেন্ট
joris.oldenziel@bangladeshaccord.com
অফিস আমস্টারডাম: + ৩১ (০) ২০ ৫২০ ৭৪৩১
মোবাইল: + ৩১ ৬১৪৯৫৪৪৩০
 
বাংলাদেশে অগ্নি ও ভবন নিরাপত্তায় ২০১৮ একর্ড পাওয়া যাচ্ছে:
http://bangladeshaccord.org/wp-content/uploads/2018-Accord-full-text.pdf
অনুগ্রহ করে, ২০১৮ একর্ডে স্বাক্ষরকারী ব্র্যান্ডসমূহের আপ-টু-ডেট তালিকা এখানে দেখুন:
http://www.industriall-union.org/signatories-to-the-2018-accord; http://www.uniglobalunion.org/2018AccordSigners