বাংলাদেশে অগ্নি ও ভবন নিরাপত্তায় একর্ড এর দ্বিতীয় মেয়াদে কোম্পানি এবং ট্রেড ইউনিয়নসমূহের ঐক্যমত

আমস্টারডাম/ ঢাকা, ২৯ জুন ২০১৭। কোম্পানি এবং ট্রেড ইউনিয়নসমূহ ২য় মেয়াদে বাংলাদেশে অগ্নি ও ভবন নিরাপত্তায় একর্ড (“একর্ড”) এর জন্য ঐক্যমত পোষণ করেছে। আগামী মে ২০১৮ তে বর্তমান একর্ডের মেয়াদ শেষ হলে এই চুক্তিটি কার্যকর হবে। বাংলাদেশের কারখানাগুলোকে নিরাপদ করে তুলতে কোম্পানি ও ট্রেড ইউনিয়নগুলোর মধ্যে অভূতপূর্ব, আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক চুক্তি একর্ড।

এখন পর্যন্ত বেশ কিছু কোম্পানি ইন্ডাস্ট্রিঅল গ্লোবাল ইউনিয়ন এবং ইউনি গ্লোবাল ইউনিয়নের সাথে নতুন চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। আশা করা যাচ্ছে আগামী দিনগুলোতে আরও অনেক কোম্পানি স্বাক্ষর করবে।

– একর্ড চুক্তির অধীন বিদ্যমান কারখানা এবং নতুন কারখানায় একর্ড স্বাধীন নিরাপত্তা পরিদর্শন এবং সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।
সেইফটি কমিটি এবং সেইফটি ট্রেইনিং প্রোগ্রাম সকল কারখানায় সম্প্রসারিত করা হবে।
– শ্রমিকদের নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে নতুন চুক্তিতে শ্রমিকদের সংগঠনের স্বাধীনতার অধিকারটি সংরক্ষিত হবে তা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার সংযোজিত হয়েছে।

একর্ডকে সফল করে তোলার ক্ষেত্রে যে মূল উপাদানগুলো ভূমিকা রেখেছে তার উপর ভিত্তি করেই নতুন চুক্তি তৈরি হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে: স্বাধীন পরিদর্শন ব্যবস্থা, দ্বি-পাক্ষিক পরিচালনা ব্যবস্থা, স্বচ্ছতার প্রতিশ্রুতি, সংস্কারকাজ যেন আর্থিকভাবে সজ্ঞতিপূর্ণ হয় তার সংস্থান, সেইফটি কমিটি প্রশিক্ষণ এবং নির্ভরযোগ্য অভিযোগ প্রক্রিয়া।

একর্ডের নির্বাহী পরিচালক এবং ভারপ্রাপ্ত প্রধান নিরাপত্তা পরিদর্শক রব ওয়েস বলেন, “নতুন চুক্তি থেকে প্রতীয়মান হয় যে, বাংলাদেশের কারখানাগুলো নিরাপদ করে তুলতে এবং এই নিরাপত্তা বজায় রাখতে একর্ডের ইতিবাচক প্রভাব এবং একর্ডের কাজ অব্যাহত রাখার গুরুত্বকে আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড এবং গ্লোবাল ট্রেড ইউনিয়নসমূহ স্বীকৃতি দেয়।”

বর্তমান একর্ডের আওতাধীন তৈরি পোশাক (আরএমজি) কারখানাগুলো গত চার বছরে নিরাপত্তা সংশোধনী কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধন করেছে। বর্তমান একর্ডের এই সর্বশেষ বছরে কাঠামোগত রেট্রোফিটিং, ফায়ার এলার্ম ও ফায়ার প্রোটেকশন সিস্টেম এবং নিরাপদ ফায়ার এক্সিট স্থাপন, সেইফটি কমিটি প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অব্যাহত রাখার মত অবশিষ্ট মূল নিরাপত্তা বিষয়ক পদক্ষেপগুলো সম্পন্ন করার দিকে বিশেষভাবে নজর দেয়া হবে।

কারখানা মালিক, বাংলাদেশ সরকার, বিজিএমইএ এবং বিকেএমইএ, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা এবং দাতা সরকার এবং তাদের সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম এবং উদ্যোগের সাথে গঠনমূলক কাজের মাত্রা আরও জোরদার করবে একর্ড এবং এর ট্রেড ইউনিয়ন, কোম্পানি এবং সাক্ষী এনজিও স্বাক্ষরকারীগণ।

নতুন একর্ডে স্বাক্ষর করে তৈরি পোশাক এবং সংশ্লিষ্ট শিল্পের নিরাপত্তা এবং স্থায়ীত্ব অর্জনের আমাদের যৌথ লক্ষ্যে যোগদানের জন্য বাংলাদেশ থেকে পণ্য সংগ্রহ করছে এমন সকল কোম্পানিকে উৎসাহিত করছে একর্ড।

Download the Press Release here